সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) জিরা আমদানি বেড়েছে ৪৩২ টন। আমদানি বাড়ায় অঞ্চলটিতে পণ্যটির দাম কমে এসেছে। গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের কয়েকটি মসলা বিপণন প্রতিষ্ঠান ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
সরজমিনে দেখা যায়, গত এক মাসের ব্যবধানে জিরার দাম কেজিতে ৬০-৭০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরদার স্টোরে গতকাল ভারত থেকে আমদানীকৃত জিরা বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৬০০-৬১০ টাকায়। এ সময় সিরিয়া থেকে আমদানীকৃত প্রতি কেজি জিরার দাম ছিল ৭৬০ টাকা। এছাড়া তুরস্কের জিরা ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
দাম কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আব্দুল হাকিম জানান, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় পণ্যটির দাম কমে এসেছে।
এদিকে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি হয়েছে ১ হাজার ৫৫৯ টন, যার আমদানি মূল্য ছিল ৬৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ৪১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা মূল্যের ১ হাজার ১২৭ টন জিরা আমদানি হয়েছিল।
ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতের বাজারে পণ্যটির দাম কমে যাওয়ায় আমদানি বেড়েছে।
ভোমরা স্থলবন্দরের মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান বলেন, ‘ভারতের বাজারে জিরার দাম কমেছে। তাই আমার প্রতিষ্ঠানে পণ্যটির আমদানি বাড়িয়েছি।’